ঢাকা ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
সংবাদ শিরোনাম
আক্কেলপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কলেরা স্যালাইন সংকট ১০০ মহাসড়ক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী যোগ্য হিসেবেই বিশ্বকাপ জিতেছে মেসি : পেলে আক্কেলপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান বিজয় দিবস পালন সভাপতি না করায় ক্ষোভে মাহফিল পন্ড করতে ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে পায়খানা আক্কেলপুরে বাস চাপায় সেনা সদস্য নিহত গোলাপবাগ মাঠ রাতেই ভরে গেছে স্লোগানে মুখর পুতিনের ফের 'হুঁশিয়ারি' ইউক্রেনকে ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে ৬ লেন হচ্ছে আপিল বিভাগে ৩ বিচারপতি নিয়োগ

শীত এলেই জমে ওঠে অবৈধ মাটি ব্যবস্যা

#

মোঃ সোহাগ হোসেন, আক্কেলপুর

০৪ ডিসেম্বর, ২০২২,  4:11 PM

news image

 বছরের অনান্য সময়ের তুলনায় শীত মৌসুমে জমে ওঠে অবৈধ মাটি ব্যবস্যা। এসময় অসাধু ব্যবসায়ীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে জমির মালিকরা বিক্রয় করেন ফসলী জমির উপরিভাগের মাটি, ফসলী জমি কেটে খনন করেন অপরিকল্পিত ভাবে পুকুর, পুকুর সংস্কারের নামে গভীর করে মাটি বিক্রয়। এতে ফসলী জমি কমে আসার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় জনসাধারণের চলাচলের রাস্তাঘাট।


জয়পুরহাট জেলাধীন আক্কেলপুর উপজেলাও এর ব্যতিক্রম হয়। এবছর শীত মৌসুমের শুরুতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে অবৈধ মাটি ব্যবসা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের রামশালা গ্রামে অনুমোদনহীনভাবে ইচ্ছেমত চলছে পুকুর সংস্কারের কাজ। একই ইউনিয়নের জাফরপুর গ্রামের শিক্ষক কাজী আশাদুজ্জামানের ৪৩ শতাংশ জমিতে ভেকু মেশিন দ্বারা পুকুর খনন করছেন ওই ইউনিয়নের আলম নামের এক মাটি ব্যবসায়ী। গোপিনাথপুর ইউনয়নের হোসেন নগরে চলছে ভেকু মেশিন দ্বারা মাটি খনন করে বিক্রয়। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দিনে ও রাতে চলছে অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি বিক্রয়। অনুমোদনহীনভাবে রাতে বিক্রয় হয় তুলসীগঙ্গা নদীর মাটিও। এসকল মাটি ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত হয় অবৈধ ট্রাক্টর। ইতোপূর্বে কয়েকটি ট্রাক্টর রাতে অবৈধভাবে নদীর মাটি বিক্রয়ের দায়ে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। 


আক্কেলপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরে কমে আসছে ফসলী জমির পরিমাণ। গত এক বছরেই এই উপজেলায় বিভিন্ন কারণে কমেছে প্রায় ১৮ হেক্টর ফসলী জমি।

আক্কেলপুর উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে পাওয়া তথ্যমতে, নতুন পুকুর খনন কার্য পরিচালনা করতে  উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে প্রত্যয়ন নিতে হয়। তবে নতুন পুকুর খনন করতে কেউ কোন প্রত্যয়ন বা পরামর্শ গ্রহণ করেন নাই। তবে সংস্কারের বিষয়ে পরামর্শ নিতে কয়েকজন মৎস্য অফিসে এসেছিল। 

আক্কেলপুর পরিসংখ্যান কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মৎস্য দপ্তরের দেওয়া ২০১৬ সালের একটি পরিসংখ্যান অনুসারে এই উপজেলায় প্রায় ৫১০৪ টি পুকুর রয়েছে।

তবে সচেতন মহল ধারণা করছেন, বর্তমান সময়ে পুকুরের সংখ্যা অরো বেড়ে গেছে এবং অসাধু মাটি ব্যবসায়ীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে জমির মালিকদের সুকৌশলে নাম মাত্র মূল্য দিয়ে খনন করা হচ্ছে নতুন পুকুর ও অধিক মূল্য দিয়ে বিক্রি হচ্ছে এসকল ফসলী জমির মাটি।

আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম.হাবিবুল হাসান বলেন,‘অনুমতিবিহীনভাবে ফসলী জমির মাটি কেটে পুকুর খনন আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এছাড়াও ফসলী জমির উপরিভাগের মাটি কাটলে জমির ব্যপক ক্ষতি হয়। এসকল বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


logo

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ শেখ আজমল হোসেন